তওবার গুরুত্ব এবং মোর্শেদ অন্বেষণ তথা আত্মশুদ্ধির জন্য বয়াত গ্রহণ

মু’মিন বান্দার প্রতি যাবতীয় গোনাহের কাজ হতে তওবা করা ফরজ; পুরুষ হোক আর মহিলা হোক । এই তওবার জন্য প্ল্যান পরিকল্পনা না করে বরং সঙ্গে সঙ্গে তওবা করা ফরজ । এর জন্য কোন অভিভাবকেরও হুকুমের প্রয়োজন নেই । বিলম্বে তওবা করা আদৌ জায়েজ নেই । কেননা বিলম্বে তওবা করা বা ভবিষ্যতে তওবার পরিকল্পনা করাটাই হারাম ও গোনাহর কাজের উপর বহাল থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়; যা ঈমানের দাবীর পরিপন্থী । কারন তওবার দ্বারা গোনাহ মাফ হয়, অন্তর ছাফ হয় । শর্ত বান্দার হক নষ্ট না করা এবং অতীত গোনহ্‌র জন্য ক্ষমাপ্রার্থী হওয়া । (আল্লাহর নৈকট্য) । দলিলঃ-

“হে ইমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নৈকট্যলাভের জন্য তওবা করা, বিশুদ্ধ ও খাঁটি ভাবে; শীঘ্রই মহান আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় গোনাহ্‌ ক্ষমা করে দিবেন এবং এমন বেহেস্তে দাখিল করবেন, যার পাশ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত ।” (সূরা তাহরীমঃ আয়াত ৮)

তিরমিজি শরীফ ও অন্য হাদিস শরীফেরও বহু প্রমাণ আছে নবী (সঃ) বলেন মুমিন বান্দা যখন গোনাহ্‌ করে তখন তার ক্কলবে একটি কালো দাগ পড়ে যায় । অতঃপর যদি তওবা করে ও ক্ষমা চায় তবে তার অন্তর বা কলব ছাফ হয়ে যায় । যদি সে তওবা না করে গোনাহ্‌ করতেই থাকে তবে কালো দাগ বৃদ্ধি পেতে থেকে । অবশেষে তার অন্তরকে ছেয়ে ফেলে । এটাই সেই মরিচা যার কথা আল্লাহ কোরআনে বলেছেন ।

“কালা বাল বানা আলা ক্কুলুবিহিম মাকানু ইয়াকছিবুন” (সূরা মোতাফ্‌ফিফীন) অর্থ- যে সব গোনাহের কাজ তারা বরাবর (সবসময়) করেছে তা তাদের অন্তরে (ক্কাল্‌বে) মরিচা স্বরূপ লেগে আছে ।

নবীজী বলেন যে ব্যক্তি গোনাহ হতে তওবা করেন সে নিষ্পাপ ব্যক্তির তুল্য । (ইবনে মাজাহ)

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s